Skip to content
Dhaka32°C
YouTubeFollow
LIVEবিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতনএআই ব্যবহার করে টিকা তৈরির দাবি কেমব্রিজের গবেষকদেরআইভীর বাড়ির সামনে কর্মীর ভিড়, সিসি ক্যামেরায় নজরদারিগুলশানে স্পা সেন্টারে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, গ্রেফতার ২৮মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি, যা বলেছে ইসলামমার্কিন ট্রেজারিকে টপকে বিশ্বের প্রধান রিজার্ভ সম্পদ এখন স্বর্ণবাংলাদেশে বিশ্বকাপের খেলা দেখা যাবে যে ৩ চ্যানেলেডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার, হতাহতের ঘটনা ঘটেনি

বিশ্বকাপের ট্রফি কার ঘরে যাবে, জানালেন ডি মারিয়া

আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে আনহেল ডি মারিয়ার। কাতারের পর ২০২৪ কোপা আমেরিকা জিতেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন এই উইঙ্গার।

তবে এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে নীরব নন তিনি। কে জিতবে এই মহাযজ্ঞ? সেই প্রশ্নে নিজের স্পষ্ট মত দিয়েছেন রোজারিও সেন্ট্রাল তারকা।
‘ব্যালন ডি’অর’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডি মারিয়া বলেন, এবারের বিশ্বকাপে একাধিক দল শিরোপার জন্য লড়াই করার সামর্থ্য রাখে। তরুণ প্রজন্মের উত্থানই এবারের টুর্নামেন্টকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে বলে মনে করেন তিনি।

ডি মারিয়ার ভাষায়, ‘সম্প্রতি যুব দল বা একাডেমি থেকে উঠে আসা চমৎকার সব তরুণ খেলোয়াড়দের নৈপুণ্যে বেশ কয়েকটি দেশ শিরোপার লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে… ফ্রান্স নিশ্চিতভাবেই অন্যতম ফেবারিট, কারণ তারা প্রতিনিয়ত বিশ্বমানের খেলোয়াড় তৈরি করে চলেছে এবং নিজেদের শীর্ষ অবস্থানটা ধরে রেখেছে। আমার মনে হয়, স্পেনও এবার বেশ বড়সড় চমক দেখাতে পারে; তারা দারুণ ফর্মে আছে, তবে চোট পাওয়া খেলোয়াড়দের নিয়ে তারা শেষ পর্যন্ত কেমন করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বিশ্বকাপের ট্রফি কার ঘরে যাবে, জানালেন ডি মারিয়া

ফ্রান্স ও স্পেনের পাশাপাশি পর্তুগালকেও শক্তিশালী দাবিদার মানছেন ডি মারিয়া। বিশেষ করে জোয়াও নেভেস ও ভিতিনিয়ার মতো মিডফিল্ডারদের কথা আলাদাভাবে উল্লেখ করেন তিনি, ‘পর্তুগালও দারুণ সব খেলোয়াড়ে ঠাসা আরেকটি দল… বিশেষ করে জোয়াও নেভেস এবং ভিতিনিয়ার মতো ফুটবলাররা দলে আছেন, যারা খেলায় ভিন্ন একটা ছন্দ নিয়ে আসেন এবং যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারেন। আমার মতে, এমন তিন থেকে চারটি দল আছে যারা এবার ট্রফির জন্য মূল লড়াইটা লড়বে।’

নিজের দেশকে এই তালিকায় না রাখলেও আর্জেন্টিনার অভ্যন্তরীণ শক্তি নিয়ে আশাবাদী ডি মারিয়া। স্কালোনির কোচিং দর্শনকেই দলের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন তিনি। তার কথায়, ‘দিনশেষে বিষয়টি আবারও সেই জায়গায় গিয়েই ঠেকে, যা স্ক্যালোনি সবসময় বলে এসেছেন, দলে একমাত্র মেসিই অপরিহার্য বা অটো-চয়েস… বাকি আর কারও জায়গাই নিশ্চিত নয়। আর এই নিয়মের কারণেই দলের ভেতরের প্রতিযোগিতা বা স্বাস্থ্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবসময় শতভাগ বজায় থাকে। তা সে অনুশীলনেই হোক, ক্যাম্পেই হোক কিংবা পারস্পরিক সম্মানের জায়গাতেই হোক। এটাই আসলে জাতীয় দলটিকে এই উচ্চতায় ধরে রেখেছে।’

১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর আর কোনো দল টানা দুটি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। সেই বিরল রেকর্ড ছোঁয়ার সুযোগ এবার আর্জেন্টিনার সামনে। আগামী ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে লিওনেল স্কালোনির দল। গ্রুপ পর্বে এরপর তাদের মুখোমুখি হবে অস্ট্রিয়া (২২ জুন) ও জর্ডান (২৭ জুন)।