Skip to content
Dhaka29°C
YouTubeFollow
LIVEকক্সবাজারে সন্ধ্যার পর বখাটে ও মাদকসেবীদের উৎপাত, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন পর্যটকরা৩০০ ফিট এলাকা থেকে যুবলীগের এক নেতা আটকআবাসিকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের বাড়তি দাম প্রত্যাহারতাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিসঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ ফের দাঁড়িয়ে গেল, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টিদায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীআশুলিয়ায় পৃথক অভিযানে ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেফতার ৪, মাদক উদ্ধারPCOS PMOS: Decade-Long Renaming Effort Reflects Broader Understanding of the Condition

২৪ বছর পর বিশ্বকাপে তুরস্ক

প্রায় ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরছে তুরস্ক। ২০২৬ বিশ্বকাপ সামনে রেখে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে দেশটি।

প্রত্যাশিতভাবেই দলে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তারকা আরদা গুলের, জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড কেনান ইলদিজ এবং ইন্টার মিলানের অধিনায়ক হাকান চালহানোগলু।
ইন্টার মিলানের হয়ে দ্বিতীয় সিরি আ জয়ের পর বিশ্বকাপ দলে যোগ দিচ্ছেন চালহানোগলু।

অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডারের নেতৃত্বে তরুণ ও অভিজ্ঞতার মিশেলে দল সাজিয়েছেন কোচ ভিনচেঞ্জো মন্তেলা।
নাটকীয় প্লে-অফ পথ পেরিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে তুরস্ক।

সেমিফাইনালে রোমানিয়া এবং ফাইনালে কসোভোকে হারিয়ে ইউরোপের শেষ চারটি কোটা থেকে একটিতে জায়গা করে নেয় তারা। এটি হতে যাচ্ছে তুরস্কের তৃতীয় বিশ্বকাপ এবং ২০০২ সালের পর প্রথম।
২০০২ বিশ্বকাপে সেনোল গুনেশের অধীনে তৃতীয় হয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল তুর্কিরা।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১ জুন ইস্তানবুলে মেসিডোনিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে তুরস্ক। এরপর ৬ জুন ফ্লোরিডার ফোর্ট লডারডেলে চেজ স্টেডিয়ামে ভেনেজুয়েলার মুখোমুখি হবে তারা।

বিশ্বকাপে ‘ডি’ গ্রুপে খেলবে তুরস্ক। ১৪ জুন ভ্যাঙ্কুভারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের অভিযান। ১৯ জুন প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৫ জুন সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে মন্তেলার দল।

যুক্তরাষ্ট্রকে আগেও নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে তুরস্ক। ২০২৫ সালের জুনে এক প্রীতি ম্যাচে মরিসিও পচেত্তিনোর দলকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল তারা। জ্যাক ম্যাকগ্লিনের গোলে আগে পিছিয়ে পড়লেও আরদা গুলের ও কেরেম আকতুরকোগলুর গোলে জিতে মাঠ ছাড়ে তুর্কিরা।

বর্তমান দলটিকে ২০০২ সালের ঐতিহাসিক প্রজন্মের পর তুরস্কের সবচেয়ে প্রতিভাবান স্কোয়াডগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইউরোপের উঠতি তারকা এবং তুর্কি সুপার লিগের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে গড়া এই দল যুক্তরাষ্ট্রের গ্রুপসেরা হওয়ার স্বপ্নের পথে বড় বাধা হতে পারে।

প্রত্যাশিতভাবেই দলে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ তারকা আরদা গুলের, জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড কেনান ইলদিজ এবং ইন্টার মিলানের অধিনায়ক হাকান চালহানোগলু।রিয়াল মাদ্রিদের গুলের এরই মধ্যে ইউরোপের অন্যতম সম্ভাবনাময় প্লেমেকার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছেন। দুর্দান্ত মৌসুম শেষে জিতেছেন উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি। অন্যদিকে ২১ বছর বয়সী ইলদিজ দ্রুতই জুভেন্টাসের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা হয়ে উঠেছেন। ক্লাব কিংবদন্তি আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরোর সঙ্গে তার তুলনাও শুরু হয়েছে।

তাদের সঙ্গে আছেন চালহানোগলু। দৃষ্টি, পাসিং রেঞ্জ এবং সেট-পিস দক্ষতায় এখনো তুরস্কের মাঝমাঠের বড় ভরসা এই অভিজ্ঞ অধিনায়ক।

এই তিনজনকে ঘিরেই তুরস্ক নতুন স্বপ্ন দেখছে। ২০০২ সালে সেমিফাইনালে উঠে বিশ্ব ফুটবলে আলোড়ন তোলা প্রজন্মের পর এবার আরেকটি বড় অধ্যায় লেখার আশা করছে তারা।

বিশ্বকাপের আগে উত্তর মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে তুরস্কের। মন্তেলা প্রতিপক্ষ হিসেবে মেসিডোনিয়াকে বেছে নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে তাদের খেলার ধরনে কিছু মিল থাকায়।

ওই ম্যাচে ব্যাপক রোটেশন করেন মন্তেলা। ১১টি পরিবর্তন এনে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দলে জায়গা পাওয়ার দাবিদারদের শেষবারের মতো যাচাই করেন তিনি। ম্যাচের আগে ইতালিয়ান কোচ জানিয়েছিলেন, ক্লাব পর্যায়ে কম খেলার সুযোগ পাওয়া ফুটবলারদের দেখার পাশাপাশি ছোটখাটো চোটে থাকা খেলোয়াড়দেরও সামলাতে চান তিনি।

ইস্তানবুলের ফেনেরবাচের ঘরের মাঠ চোবানি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দল জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মন্তেলা।

দল নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ই এখানে থাকার যোগ্য। এ কারণেই দিনটি আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। আবেগঘন দিন ছিল। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া কখনোই সহজ নয়। খেলোয়াড়দের জন্যও এটি কঠিন। আমি নিজেও খেলোয়াড় থাকতে এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তুরস্ক দলে শৃঙ্খলা ও স্থিরতা আনার চেষ্টা করেছেন মন্তেলা। ২০০২ বিশ্বকাপের সোনালি অধ্যায়ের পর ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা দলটিকে নতুন ছন্দে ফেরানোর চেষ্টা করছেন তিনি।

মন্তেলার অধীনে ২০২৪ ইউরোয় ভালো পারফরম্যান্স করেছিল তুরস্ক। আসর শেষ করেছিল পঞ্চম স্থানে। গুলেরকে ঘিরে এখন তুর্কি সমর্থকদের বড় আশা, দশকের পর দশক পর এটি হতে পারে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রজন্ম।