
বুধবার (১৮ মার্চ) রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ রবিউল আলম জানান, বিভিন্ন রুটে এখনো টিকিট পাওয়া যাচ্ছে, যদিও কিছু রুটে টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। তবুও, যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন।
তিনি বলেন, “গত ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে সরকার, পরিবহন মালিক, শ্রমিক সংগঠন এবং সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে নেওয়া উদ্যোগের ফলেই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাই সহযোগিতা করছেন।”
ভাড়া নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “বাসের ভাড়া সম্পূর্ণ রুটের ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। ফলে কোনো যাত্রী মাঝপথে নামলেও তাকে পুরো ভাড়াই পরিশোধ করতে হয়। এটি নিয়মের মধ্যেই পড়ে এবং এতে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার প্রশ্ন ওঠে না।” অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীরা টিকিট সংকটের কারণে দূরপাল্লার টিকিট কেটে মাঝপথে নামছেন বলেও তিনি জানান।
জ্বালানি সরবরাহ বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, “১৫ মার্চ রাত থেকেই গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোথাও সমস্যা হলে হটলাইন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “কিছু এলাকায় অবৈধ বা অস্থায়ী সাব-কাউন্টারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক যাত্রী সুবিধার জন্য কাছাকাছি স্থান থেকে টিকিট নিতে চান, যার কারণে এসব কাউন্টার গড়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে শৃঙ্খলার স্বার্থে এসব কাউন্টার নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করা হবে এবং কঠোর মনিটরিং করা হবে।”
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
মন্ত্রী স্বীকার করেন, “বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পরিবহনকে জরিমানা করা হয়েছে। যেমন- চট্টগ্রাম রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগে পরিবহনকে জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঈদের পর আরো কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।”