
সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, রয়্যাল নেভির ডেস্ট্রয়ার এইচএমএস ড্রাগন অঞ্চলটিতে মোতায়েন হবে, যাতে ব্রিটেনের সার্বভৌম ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা যায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার আরএএফ অ্যাকরোটিরি ঘাঁটিতে একটি ড্রোন আঘাত হানে। এতে সামান্য অবকাঠামোগত ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যুক্তরাজ্য সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। স্টারমার তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় সরাসরি যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি আকাশপথে সরকার পরিবর্তনের ধারণা সমর্থন করেন না। তিনি বলেন, যেকোনো সামরিক পদক্ষেপের আগে বাস্তবসম্মত ও সুপরিকল্পিত কৌশল থাকতে হবে।
তবে ইরান যখন অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তখন স্টারমার সীমিত ও প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ স্থাপনা ব্যবহারের অনুমতি দেন।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটেনের এই সতর্ক অবস্থানকে খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, একসময়ের সবচেয়ে দৃঢ় সম্পর্ক এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ডিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনি বিষয় নিয়ে স্টারমার উদ্বিগ্ন ছিলেন বলেও ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। তথ্যসূত্র : শাফাক নিউজ।




