মাদকসহ আটক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠালো পুলিশ

মাদকসহ আটক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠালো পুলিশ
মাদকসহ আটক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠালো পুলিশ
মাদকসহ আটক ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে আদালতে পাঠালো পুলিশ
সাইফুল ইসলাম : মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে—মাদকসহ আটক এক ব্যক্তিকে মাদক মামলায় না দেখিয়ে ১৫১ ধারায় (সন্দেহভাজন) গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ফলে ওই ব্যক্তি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সহজে জামিন পেয়ে যান।

গত ১ এপ্রিল বিকেলে উপজেলার বরুন্ডি গ্রামে আল মাবুদ (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে চার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। আল মাবুদ পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাটুরিয়ার বরুন্ডি গ্রামে ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে মাদক ব্যবসা করতেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, বরুন্ডি গ্রামের হযরত কদম রসূল শাহ বোগদাদী (র.) মাজারের কাছে মাদক বিক্রির সময় আল মাবুদকে হাতেনাতে আটক করা হয়। খবর পেয়ে সাটুরিয়া থানার এসআই মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে পুলিশের হেফাজতে নেন। এলাকাবাসীর ধারণা ছিল, মাদকসহ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু পরে জানা যায়, তাকে মাদক মামলায় নয়, ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে সহজেই জামিন পেয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে পুলিশ মাদক মামলা না দিয়ে জামিনযোগ্য ধারায় তাকে আদালতে পাঠিয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এসআই আব্বাস উদ্দিন আদালতে লিখিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন—আল মাবুদ মাজারের পাশে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন, তাই তাকে আটক করা হয়। তবে তার কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই আব্বাস উদ্দিন বলেন, ১ এপ্রিল আটক করার পর ২ এপ্রিল তাকে মানিকগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২-এ পাঠানো হয় এবং সেদিনই তিনি জামিন পান। চারটি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করার বিষয়টি স্বীকার করলেও কেন মাদক মামলা না দিয়ে ১৫১ ধারায় পাঠানো হয়েছে—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “মাদক মামলার পেছনে সরকারের অনেক খরচ হয়। চারটি ইয়াবা দিয়ে মাদক মামলা হয় না, তাই ১৫১ ধারায় পাঠানো হয়েছে।”

এ বিষয়ে সাটুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আপনি কার কাছে শুনেছেন?” এরপর থানায় এসে কথা বলতে বলেন এবং ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

Related Posts
বিয়ের প্রতিশ্রুতি না পেয়ে সঙ্গীত শিক্ষক প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান
Read More

বিয়ের প্রতিশ্রুতি না পেয়ে সঙ্গীত শিক্ষক প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক তরুণীর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮…
৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ
Read More

৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ

চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মধ্যে ৬টিই বন্ধ রয়েছে। সচল রয়েছে ২২টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। তারপরও চাহিদা অনুযায়ী…